লুইজিয়ানার বার্কসডেল এয়ার ফোর্স বেসে টানা সাত দিন ধরে অজানা ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে একাধিক দফায় ১২ থেকে ১৫টি ড্রোন ঘাঁটির ওপর দিয়ে উড়েছে।
প্রাথমিকভাবে একটি ড্রোন এলার্ম ট্রিগার করেছিল বলে জানানো হলেও পরবর্তীতে তদন্তে আরও বড় পরিসরের অনুপ্রবেশের তথ্য সামনে আসে। শুরুতে এসব ড্রোন রাডারে ধরা পড়েনি বলেও জানা গেছে।
বার্কসডেল এয়ার ফোর্স বেস মার্কিন বিমানবাহিনীর গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ডের সদর দপ্তর। এখানে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে। ফলে এই ঘাঁটিতে অনুপ্রবেশের ঘটনাকে নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ড্রোনগুলোর সিগনাল সাধারণ বাণিজ্যিক ড্রোনের মতো ছিল না। এতে উন্নত অ্যান্টি-জ্যামিং প্রযুক্তি এবং দীর্ঘপাল্লার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। ড্রোনগুলো পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে উড্ডয়ন করেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই সময়ে ওয়াশিংটন ডিসির ফোর্ট ম্যাকনেয়ার এলাকাতেও ড্রোন চলাচলের তথ্য পাওয়া গেছে, যা নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
একজন মার্কিন সিনেটরের মতে, ড্রোন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, এক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, অনুপ্রবেশকারীরা ইতোমধ্যে ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে থাকতে পারে।
তবে এখনো পর্যন্ত ড্রোনগুলোর উৎস বা এর পেছনে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন সামরিক বাহিনী বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

























