ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মধ্যপ্রাচ্যের ধনী উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট -এর জামাতা ও তার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাফিনিটি পার্টনার্স ইতোমধ্যে উপসাগরীয় সার্বভৌম তহবিল ও ধনী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থ সংগ্রহ করেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের -এর বড় বিনিয়োগ এই প্রতিষ্ঠানের দ্রুত উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো মূলত ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক প্রভাব ও নিরাপত্তা সহযোগিতা শক্তিশালী করার আশায় ট্রাম্প পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বিশেষ করে ইরান ইস্যু ও আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থেকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো আদৌ কাঙ্ক্ষিত কূটনৈতিক সুবিধা পেয়েছে কি না।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান অনিশ্চয়তা ও হরমুজ প্রণালিকেন্দ্রিক উদ্বেগ দেশগুলোর অর্থনীতি ও জ্বালানি রপ্তানিতে নতুন চাপ তৈরি করছে। একই সময়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশল নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে।
এদিকে সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের বিষয়। যদিও কুশনারপক্ষ দাবি করে আসছে, তাদের বিনিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ও আইনসম্মত।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত কূটনৈতিক বাস্তবতায় এখন সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব রাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেও বেশি মনোযোগ দিচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

























