এডাস্টে মৌসুমি ফল উৎসব ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এডাস্ট) এগ্রিবিজনেস বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ‘মৌসুমি ফল উৎসব’ ও ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম. শামসুল আলম লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক আহসান হাসিব খান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সিরাজুল হক চৌধুরী ও মোছাঃ কামরুন নাহার এবং এগ্রিবিজনেস বিভাগের এডভাইজর অধ্যাপক ড. মীর্জা হাছানুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এগ্রিবিজনেস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. শামসুল আলম লিটন বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু পাঠদান ও গবেষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ জীবনাচারের চর্চাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দেশীয় মৌসুমি ফল আমাদের কৃষি ঐতিহ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতির পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে সহায়তা করবে।
বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশীয় মৌসুমি ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, বরং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
অনুষ্ঠানে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমি ফল প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়। ফলের পুষ্টিগুণ এবং বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়।
এছাড়া স্প্রিং-২০২৬ সেমিস্টারে অসাধারণ একাডেমিক সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের
হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ট্রেজারার সারা আনোয়ারসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক চেতনা এবং দেশীয় ঐতিহ্যের প্রতি অনুরাগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

























