ঢাকা   মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২, ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে নতুন উত্তেজনা, অবকাঠামো লক্ষ্য করে কড়া হুমকি

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে নতুন উত্তেজনা, অবকাঠামো লক্ষ্য করে কড়া হুমকি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক বার্তায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, সমঝোতা না হলে ইরানের বিদ্যুৎ, পানি ও তেল খাতকে লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। 

একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা খর্গ দীপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় এটি সামরিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। 

এদিকে আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে Strait of Hormuz ঘিরে উত্তেজনা বৈশ্বিক তেল সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়। 

আঞ্চলিক বিভিন্ন স্থানে ইরানের পাল্টা হামলার খবরও পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে হামলায় মার্কিন সেনা আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনা ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষের পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল নিবিড়ভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

এদিকে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা থাকলেও আন্তর্জাতিক সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা মূলত “ডিটারেন্স” বা ভয় প্রদর্শনের কৌশল হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, এই সপ্তাহটি সংঘাতের গতিপথ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।