ইরানের হামলায় ইজরায়েল জ্বলছে তবে প্রকাশ হচ্ছেনা।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার সাম্প্রতিক এক বার্তায় দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় তিনি বলেন, সামরিক হামলা ইরানের জনগণকে আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং দেশের তরুণরা প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এ বক্তব্যটি আসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর সাম্প্রতিক কড়া মন্তব্যের পর। এক ভাষণে তিনি বলেন, ইরান যদি শর্ত না মেনে নেয়, তবে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ প্রকাশ্যে সংযত অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron হরমুজ প্রণালীকে সামরিক শক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে সতর্ক মন্তব্য করেছেন এবং কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের কয়েকটি বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই ধরনের হামলার মানবিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সামনে এসেছে। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংঘাত কেবল সামরিক শক্তির প্রশ্ন নয়, বরং এটি কৌশলগত ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলছে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক মহল।

























