ঢাকা   শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৭

কাতার উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে তাদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক

বিডিটোন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০৪, ৩ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ২২:০৮, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কাতার উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে তাদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি দাবি করা হচ্ছে যে কাতার উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে তাদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কাতার সরকার বা আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন কর্মী ও সামরিক সদস্যকে সতর্কতামূলকভাবে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার নয়; বরং নিরাপত্তাজনিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

আল উদেইদ ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম অবস্থান করছে। ফলে পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের মতো বড় সিদ্ধান্ত হলে তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনায় আসার কথা।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কিছু বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে যে কাতারের ভূমি আর কখনো অন্য দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তবে এমন বক্তব্যেরও কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি বা কূটনৈতিক সূত্র এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেশটি সংযত অবস্থান নিয়েছে।

ফলে কাতার থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের খবরটি এখনো যাচাইবিহীন দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল নজর রাখছে।