ঢাকা   রোববার ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয়

বিডিটোন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৬, ২২ আগস্ট ২০২৬

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

আজ সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কিছু সময় তিনি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এরপর তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।  রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন-বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

পরিদর্শন-বইয়ের মন্তব্যে তিনি লেখেন, ‘জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, অসীম সাহস ও অকৃত্রিম দেশপ্রেমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি- স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।’

তিনি লেখেন, ‘এই পবিত্র জাতীয় স্মৃতিসৌধ- আমাদের জাতীয় গৌরব, আত্মত্যাগ, ঐক্য ও দেশপ্রেমের চিরন্তন স্মারক, যা চিরকাল দেশপ্রেম ও দেশগঠনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করছি। তাঁদের দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম আমাদের জাতীয় ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।’

তিনি আরো লেখেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধানের আদর্শ এবং বীর শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা সমুন্নত রেখে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, কল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

সবশেষে তিনি লেখেন, মহান আল্লাহতায়ালা বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত দান করুন। এবং প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের ওপর অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বর্ষণ করুন। আমিন। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি উদয় পদ্ম বৃক্ষের চারা রোপণ শেষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গন ত্যাগ করেন।

এ সময়ে রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সামরিক সচিব জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, প্রেস সেক্রেটারি মো: সরওয়ার আলম,  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সাভার ক্যান্টনমেন্টের জিওসি উপস্থিত ছিলেন।