ঢাকা   বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ শা'বান ১৪৪৭

টি-২০ বিশ্বকাপ

বিসিবির প্রধান আয়ের উৎস হচ্ছে আইসিসি থেকে আসা লভ্যাংশ তাই সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিসিবি

খেলাধুলা

বিডিটোন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৪৫, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৫:১৭, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিসিবির প্রধান আয়ের উৎস হচ্ছে আইসিসি থেকে আসা লভ্যাংশ তাই সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিসিবি

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে পুরো ক্রিকেট–বিশ্বই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে

পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঘোষণা করেনি কেন তারা ভারতের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করলো। তবে এর প্রভাব শুধুমাত্র এই দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বিশ্ব ক্রিকেটের পুরো ইকোসিস্টেমে এবং বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়তে যাচ্ছে। 

পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর কোনো কর্মকর্তা সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। তবে বোর্ডের ভেতরে সবাই সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারণ, বিসিবির প্রধান আয়ের উৎস হচ্ছে আইসিসি থেকে আসা লভ্যাংশ।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ক্রিকেটীয় উত্তেজনা এই মুহূর্তে কমে গেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপেও পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে এবং প্রতিবার হেরেছে। কিন্তু শুধুমাত্র ম্যাচের ফল নয়, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পেছনে আরও বড় রাজনৈতিক ও ক্রীড়া কূটনৈতিক প্রভাব রয়েছে।

আইসিসি জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পুরো অর্থনৈতিক চক্রে প্রভাব ফেলবে। বিশেষত টিকিট বিক্রি, সম্প্রচার ও স্পন্সরশিপের আয় হ্রাস পাবে। বিসিবি সূত্র জানায়, এই ধরনের ক্ষতি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচই সবচেয়ে বেশি দর্শক ও অর্থ আনে।

এক বিসিবি পরিচালক বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের লভ্যাংশও কমবে। তবে পাকিস্তান হয়তো ভারতের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

পাকিস্তানের পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ নামঞ্জুর করেছেন এবং বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে বিরোধ প্রকাশ করেছেন। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি, এই ঘটনার ফলে ভারত-পাকিস্তান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্রীড়া কূটনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে। বিসিবি কর্মকর্তারা আশা করছেন, পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হবে এবং আলোচনার পথ সবসময় খোলা থাকবে।